গতকাল ইতালি থেকে দেশে এসেছি। New তো ইতালিতে আমার এক দূর সম্পর্কের মামা ওনার ফ্যামিলি নিয়ে থাকেন।মে এক ছেলে। বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছে কিন্তু ডিভোর্স হয়ে গেছে বড় মেয়ের ঘরে একটা ৩ বছরের ছোট মেয়ে আছে।
তো মামা ওনার স্ত্রী, ছোট ছেলে ও মেয়ে এবং তার বড় মেয়ের বাচ্চাকে নিজের মেয়ে বানিয়ে ইতালি নিয়ে এসেছে। দেশের বাড়িতে মামার বড় মেয়ে ও ওর বৃদ্ধ দাদি থাকে। শফিক মামা ওনার বড় মেয়ে ও তার মায়ের জন্য আমার কাছে কিছু জিনিস দিয়েছে এবং বলেছে আমি যেন তাদের কাছে জিনিসগুলো পৌছিয়ে দিই। তো আমি গতকাল বিকেলে দেশে পৌছাই।
দেশে কয়েকদিন ধরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে। মামাদের বাসা আমাদের এলাকাতেই। ২-৩ দিন হয়ে গেছে কিন্তু এখনো জিনিসগুলো ওদের বাসায় দিয়ে আসতে পারিনি। তো আজকে জিনিসগুলো নিয়ে ওদের বাসায় রওনা দিলাম। মামাদের বাসায় গিয়ে দেখলাম বাসায় কেউ নেই। ওদের বাসার পাশের একজনের কাছে থেকে মামার মেয়ের নাম্বার জোগাড় করলাম, ফোন দিয়ে জানতে পারলাম দাদিকে নিয়ে নাকি হাসপাতালে গেছে।
তো অগত্যা সেদিন ফিরে আসতে হল। মামার বড় মেয়ের নাম তানিয়া। বয়স প্রায় ২২-২৩ হবে। প্রেম করে ৪ বছর একটা ফাতরা ছেলেকে বিয়ে করে। পরে তানিয়া আপুই স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দেয়। একমাত্র মেয়েকেও মামা ইতালি নিয়ে গেছে। তাই সে একাকী জীবনযাপন করছে।
পরেরদিন আবার ওদের বাসায় গেলাম। আজ বাইরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে। আমি সারাদিনের কাজ শেষ করে ওদের বাসায় যাই তখন প্রায় রাত ৭ টা। আমাকে দেখে তানিয়া আপু বাসার দরজা খুলে দেয়।
আমি হালকা ভিজে গেছি। তানিয়া আপু আমাকে একটা তোয়ালে এগিয়ে দেয়। আমি মাথা মুছে আপুকে জিজ্ঞেস করি কেমন আছেন? আপু বলে ভালো। তিনি আমাকে ঘরে নিয়ে যান। ওর দাদিকে হাসপাতালে ভর্তি করে এসেছে গতকাল। বাসায় শুধু আপু একা ছিল। বলে রাখা দরকার তানিয়া আপু আমার থেকে প্রায় ৩ বছরের বড়।
আমি ইতালি যাওয়ার আগে আপুর সাথে কথা বেশি বলিনি। তো এখন আমার বয়স ১৯ বছর। আপু আমাকে সোফায় বসিয়ে কিচেন থেকে খাবার নিয়ে আসল। আমি ওনাকে মামার পাঠানো জিনিসগুলো দিলাম।
আমরা দুজন কথা বলতে বলতে প্রায় রাত সাড়ে ৯টা বেজে গেল। আপুদের বাসাটা গ্রামের একদম ভিতরে।আশেপাশের সবাই প্রায় ঘুমে। এমন সময় হল বিপত্তি। খুবই জোড়ে ঝড়ো বাতাসসহ বৃষ্টি নেমেছে।
আমি তো বাসায় ফেরা নিয়ে সংকিত হয়ে পড়লাম। আপু বলল, তাহলে আজ থেকে যেও। ২টা রুম খালি পড়ে আছে। আমি বললাম, পাগল নাকি। লোকে জানলে তো বদনাম দিবে! আপু বলল, লজ্জা পাচ্ছো নাকি অভি?
সমস্যা নেই। তানিয়া আপুর কথা ঠিক বুঝতে পারলামনা! আমরা দুজন সোফায় বসে গল্প করছিলাম। এমন সময় বাইরে খুব জোড়ে বজ্রপাত হল। তানিয়া আপু আমাকে ভয়ে জড়িয়ে ধরল। আমি একটু অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম। কিছুক্ষণ পর আপু আমাকে ছাড়ল।
মনে হয় কিছুটা লজ্জা পেয়েছে। আমি নিসচুপ হয়ে রইলাম, সে আমাকে হঠাৎ জিজ্ঞেস করে বসল আমি কাউকে ভালোবাসি কি না? আমি আপুকে আমার মোবাইলে আমার গার্লফ্রেন্ডের ছবি দেখতে বলে একটু বাথরুম এ গেলাম।
বাথরুম থেকে ফিরে আসার সময় জানালা দিয়ে একটু তাকালাম। আপু তো আমার মোবাইল এর pornগুলা দেখতেছে। আমি দ্রুত রুমে গিয়ে মোবাইলটা কেড়ে নিই। আমি তো লজ্জায় শেষ! আপু আমার কাছে এসে বলল, তোমার girlfriend খুব সুন্দর। আর আস্তে করে বলল, ভিডিওগুলাও সুন্দর! আমি শুনেও না শোনার ভান করলাম!
আপু আমাকে একসময় প্রশ্ন করে বসল, কখনো কি সেক্স করেছি কিনা? আমি আপু কথা শুনে তো অবাক। বললাম না। কখনো সেই সুযোগ পাই নি। আপু একটু মুচকি হেসে বলল, সেক্স যদি না ই করে থাকো তাহলে বিয়ের পর লজ্জা লাগবেনা?
আমি বলি, প্রথম প্রথম লাগবেই তো। আপু একটু পিছিয়ে গিয়ে দরজা লাগিয়ে লক করে দিল। আমি বলি, দরজা লক করার দরকার কি! আপু বলে, তোমাকে Sex শিখাবো। কি শিখবে? আমি কথাটা শুনে খুব nervous হয়ে পরলাম। কি বলেন আপু! এটা কিভাবে সম্ভব।
The post মামাতো বোন সানিয়া আপুকে চোদার কাহিনী appeared first on New Choti.ornipriyaNew ChotiNew Choti - New Bangla Choti Golpo For Bangla Choti Lovers।
source https://newchoti.com/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9a/
Post a Comment